Saturday, 4 March 2017

Jane Fonda speaks of rape, abuse, and her 'disease to please'

Saturday, 17 October 2015

World news

 Philippines on alert as Typhoon Koppu nears
17 October, 2015 12:58

The Philippines is preparing for a typhoon that is forecast to dump heavy rain and cause severe flooding when it arrives at the weekend.

On Friday President Benigno Aquino warned people living in the path of Typhoon Koppu to be ready to evacuate.

In a TV address, he said the storm could bring up to 12 hours’ torrential rain and cause severe flooding.

It was Mr Aquino’s first such appeal since Typhoon Haiyan struck in 2013, leaving more than 6,000 people dead.

Forecasters say it is packing winds of up to 180km/h (115mph) and is slow moving, meaning it could bring intense rain over a long period of time.

The first heavy rain was expected in parts of northern and central Luzon on Saturday.

In his address, Mr Aquino urged the estimated six million people in the typhoon’s direct path to listen to government warnings and be ready to evacuate their homes if necessary.

He said aid agencies had already distributed emergency supplies to evacuation centres.

“Your government is here to help us achieve zero casualties,” Mr Aquino said.

“But I must emphasise, each local government unit, community and Filipino that will be affected has the duty to co-operate in the collective action we are taking to overcome the challenges ahead.”

Mr Aquino added: “We have assets at the ready… to respond to any eventuality. However, we are dealing with nature so we don’t really know what will happen.”

The state weather service warned residents on the east coast of Luzon to be ready for possible storm surges of more than 2m (6ft).

Meanwhile, the Philippine military in northern Luzon has been placed on alert for disaster operations.

Typhoon Koppu, also known as Lando, is not due to leave the Philippines until Tuesday, when it will be heading towards Taiwan.

In November 2013, Super Typhoon Haiyan – the strongest storm ever recorded on land – swept into the Philippines, destroying entire towns and leaving more than 6,300 people dead and more than 1,000 missing.

Thursday, 28 May 2015

top news

নরেন্দ্র মোদি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়অবশেষে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরসঙ্গী হতে আমন্ত্রণ পেলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই আমন্ত্রণ পেলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ ও মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমাও। তবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো আমন্ত্রণ পাননি বলে তাঁর সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জুন মাসের ৬ ও ৭ তারিখে বাংলাদেশ সফরে আসছেন।
বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে যে চার ভারতীয় রাজ্যের আন্তর্জাতিক সীমানায় বদল ঘটবে, সেই চার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেই এই সফরে নিতে প্রধানমন্ত্রী আগ্রহী ছিলেন। মে মাসের ৮ ও ৯ তারিখে কলকাতা সফরকালীন মোদি এই বিষয়ে মমতার সঙ্গে কথাও বলেছিলেন। কিন্তু তার পর আর কথা এগোয়নি। ২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সফর সরকারিভাবে ঘোষিত হলেও মুখ্যমন্ত্রীদের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। গতকাল বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম আলোকে সে কথা জানিয়ে বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী সফরে যা যা ঘোষণা করবেন সব করে দিয়েছেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে সফরসঙ্গী হতে কেউ বলেননি।
বৃহস্পতিবার প্রথম আলোয় এই খবর বেরোনোর পর প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে যোগাযোগ করা হয়। তাঁকে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী চান মুখ্যমন্ত্রী যেন তাঁর সফরসঙ্গী হন। যোগাযোগের কথা মমতাও স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ওঁরা চাইছেন, যে চুক্তিগুলো ঢাকায় সই হবে সেই সময় আমি যেন থাকি। খুব করে ধরেছেন। এত দিন আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানানোয় ওই সময় মমতা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কাজ রেখেছেন। যদিও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত অনুরোধ তাঁর পক্ষে ফেরানো কঠিন।

Saturday, 7 March 2015

শীর্ষ খবর

চলমান পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটাতে সংলাপ-সমঝোতার বিষয়ে দেশি-বিদেশি কোনো আহ্বানই বিবেচনায় নিতে রাজি নয় সরকার। এখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিয়ে শক্তি প্রয়োগেই সমাধান খুঁজছে সরকার।সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে এসব কথা জানা গেছে। তাঁরা জানান, ঢাকায় কর্মরত ১৬ বিদেশি কূটনীতিকের সাম্প্রতিক তৎপরতা এবং তারও আগে জাতিসংঘের মহাসচিবের চিঠি—এসবকে সরকার ‘চাপ’ মনে করছে না। তাঁদের কোনো সহযোগিতাও নিতে রাজি নয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমরা কারও দূতিয়ালি চাই না। কারও সহযোগিতাও প্রত্যাশা করি না। সরকারই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’ তিনি বলেন, ‘কূটনীতিকেরা যদি নতুন কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলতে চান, তা হলে কথা বলব। তবে এটাকে সংলাপ বা সমঝোতার উদ্যোগ বলে মনে করার কোনো কারণ নেই।’সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের টানা অবরোধ ও হরতাল কর্মসূচি এখন আর জনজীবনে কোনো প্রভাব ফেলছে না। আর কিছুদিন এভাবে চললে তা পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়বে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সরকারের উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে যে, অচিরেই চোরাগোপ্তা হামলা এবং যানবাহনে পেট্রলবোমা ও অগ্নিসংযোগ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে তারা সক্ষম হবে। এ ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনে আরও কঠোর পন্থা অবলম্বন করবে।তবে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে খুব শিগগির গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা নেই। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা গত ১১ দিনেও সংশ্লিষ্ট থানায় পৌঁছায়নি বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানিয়েছে। যদিও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান গতকাল শনিবার এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আইনের প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে। প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থানায় যাবে। এরই মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটাও বিরোধীদের আন্দোলন অকার্যকর করার আরেক কৌশল বলে আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো বলছে। নির্বাচনী ডামাডোলে সরকারবিরোধী আন্দোলন আরও স্তিমিত হয়ে পড়বে বলে তাদের ধারণা। বিদেশি কূটনীতিকদের সাম্প্রতিক তৎপরতা সম্পর্কে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা বলেন, ১ মার্চ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলীর সঙ্গে ১৬ কূটনীতিকের আলোচনার পর তাঁদের পক্ষ থেকে সরকারের সঙ্গে গতকাল পর্যন্ত আর যোগাযোগ করা হয়নি। এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি যৌথভাবে ১৬ কূটনীতিক বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিয়ে সরকারের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ করে দিতে অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দেন। এ বিষয়ে এই উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তাঁদের সাক্ষাৎ দেওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে কূটনীতিকেরা আলোচনা করতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলবেন। তাঁকেই এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এখন দেশের বাইরে আছেন। তিনি দু-এক দিনের মধ্যে দেশে ফিরবেন। সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সংকট উত্তরণে জাতিসংঘের মহাসচিব এবং ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত প্রয়োজনে সহযোগিতা দেওয়ার কথা বললেও সরকার তাঁদের সহযোগিতা চাইবে না। জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোকে দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতার দায়িত্ব দিয়েছিলেন মহাসচিব। তবে তারানকোর বাংলাদেশে আসা অনেকটাই অনিশ্চিত। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারানকোকে মধ্যস্থতার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে না।

Monday, 10 November 2014

sports news

ভারতের সিরিজ জয়, কোহলির বিশ্ব রেকর্ড



Kohliস্পোর্টস ডেস্ক  : দু ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জয়, একদিনের ক্রিকেটে দ্রুতমত ছয় হাজার রানের বিশ্ব রেকর্ড করার দিনে ভারতীয় ক্রিকেটের ‘ভ্যালেন্টাইন’স ডে’ হিসাবে পালন করলেন ধোনীহীন ভারতের বিরাট অধিনায়ক। ৯১ রান করে ধাওয়ান ফিরে যাওয়ার পর সব লাইম লাইট গিয়ে পড়ল কোহলির দিকে। হবেই নাই বা কেন? বিশ্ব রেকর্ড করার হাতছানি, অধিনায়ক হিসাবে বিরাট সিরিজ জয়ের হাতছানি। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে গেল একটা ঘটনা। এক সুন্দরীর উপস্থিতি।
তার নামটা বলতে গেলে সবাই জানি বলে এড়িয়ে যাবেন। তাই ওটা উহ্য রেখেই বলি, কোহলি এক একটা করে রান নিচ্ছেন, ক্যামেরা ঠায় দাঁড়িয়ে তার মুখের এক্সপ্সেশন নিতে। কোহলির আউট হওয়ার সম্ভবনা তৈরি হলেই তিনি ছট করে লাফিয়ে উঠলেন। মনে হল যেন কিছু সময়ের জন্য তার হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেছে। বোর্ডের চুক্তি আছে বলে কোনও কিছু বলতে পারলেন না। কিন্তু গোটা স্টেডিয়ামের বিরাট প্রেমপর্ব একেবারে ভাইরাল হয়ে গেল।

এবার এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কোহলি সিঙ্গল নিয়ে অর্ধশতরান করলেন। তার চেয়েও বড় কথা ভিভ রির্টাডকেও টপকে দ্রুততম ছয় হাজার রানের ক্লাবে ঢুকে বিশ্ব রেকর্ড করলেন। অন্যদিন হলেই শেষ করে দিতে হত। কিন্তু আজ তো ভারতের ক্রিকেটের ‘ভ্যালেন্টাইন’স ডে’। এখন থেকেই শুরু হল ঘটনা। মাথা থেকে হেলমেটটা খুল অভিবাদন জানালেন।
তারপরেই রায়ানাকে কী একটা বলে ব্যাট ধরে ছুঁড়ে দিলেন তার দিকে ফ্লাইং কিস। গোটা স্টেডিয়াম গর্জে উঠল। তখন কোথায় ক্রিকেট! পুরোটাই প্রেম প্রেম হাওয়া। সবচেয়ে লজ্জায় পড়লেন তিনি স্বয়ং। পরিস্কার বোঝা গেল উনিও চাইছেন চুমুর জাবাবে চুমু দিয়ে উত্তর দিতে। কিন্তু না। যোলোকলা পূর্ণ হল না। এই উত্তরটা কোথায় কখন দেবেন সেটা বরং তোলা থাক। এত কথা বলতে গিয়ে বলাই হল না, বৃহস্পতিবার ইডেনের ম্যাচটা জোলো হয়ে গেল। তবে হ্যাঁ, অনুস্কা উত্তরটা যদি স্বর্গোদ্যানের গ্যালারিতে বসে দিতে চান, সেটা আলাদা কথা।

Thursday, 11 September 2014

top news

মাইক টাইসনকে বলেছে শুধরে গেছেন মাইক টাইসন! তাঁর খেপা স্বভাবটা যে আগের মতোই আছে, সেটাই যেন প্রমাণ করলেন আরেকবার। প্রতিদ্বন্দ্বী বক্সার হলিফিল্ডের কান কামড়ে ধরে নিজেকে তুলে ধরেছিলেন ‘বন্য’ হিসেবে। জেল খেটেছিলেন ধর্ষণের দায়ে। সেই টাইসনই এবার এক টেলিভিশনের টক-শোতে গিয়ে গালাগাল করেছেন উপস্থাপককে। টেলিভিশনের ওই আলোচনা অনুষ্ঠানটি ছিল টরন্টোর মেয়র নির্বাচনসম্পর্কিত। সেখানে সাবেক এই মার্কিন বক্সার উপস্থিত ছিলেন মেয়র পদপ্রার্থী বব ফোর্ডের প্রচারক হিসেবে। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে উপস্থাপক তাঁকে প্রশ্ন করেন, ধর্ষণের দায়ে তাঁর কারাভোগের ঘটনাটি ফোর্ডের নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে কি না। এতেই তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন টাইসন। সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানেই তিনি উপস্থাপককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল দেন। বিব্রত উপস্থাপক কথা ঘোরাতে টাইসনকে অন্য প্রশ্ন করেও গালি থেকে রেহাই পাননি। মেইল অনলাইন।