Sunday, 19 January 2014

sports

মাহেলা জয়াবর্ধনে ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের পঞ্চম উইকেট জুটি ১৭৬ বলে তুলল ৩৮ রান। লঙ্কানদের শম্বুক গতিতে চলা দেখে হতাশ মিসবাহ?প্রায় ১৪ বছর হয়ে গেল বিদেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জেতার স্বাদ পায়নি শ্রীলঙ্কা। জয়ের তীব্র ক্ষুধা নিয়েই লঙ্কানরা সিরিজ খেলতে এসেছিল মরু দেশে। সোনালি সুযোগের হাতছানি পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজ। আগেই বলা হয়েছে তৃতীয় ও শেষ টেস্টটা ড্র করলেই চলে তাদের। গত টেস্ট জিতে রাখায় তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। শ্রীলঙ্কা যে ড্র করার কৌশল নিয়েই মাঠে নেমেছে, অনেকটাই পরিষ্কার শারজা টেস্টের চতুর্থ দিনে।
পাকিস্তান ৩৪১ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কার ব্যাট দেখে বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমের ‘গাড়ি চলে না, চলে না’ গানটিই যেন মনে পড়ে। ৭১ ওভারে লঙ্কানরা ৫ উইকেটে তুলেছে ১৩৩। ওভারপ্রতি রানের তথ্য শুনলে শ্রীলঙ্কার ‘পরিকল্পনা’ খনিজ জলের মতো পরিষ্কার হবে। ওভারপ্রতি অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের দল তুলেছে মোটে ১.৮৭। ১৯৯৪ সালের পর টেস্টে শ্রীলঙ্কার এটাই সবচেয়ে শম্বুক গতিতে রান তোলা (অন্তত ৫০ ওভার খেলেছে এমন ম্যাচে)। আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত ভারতের বিপক্ষে সেবার (১৯৯৪ সালে) লঙ্কানরা ইনিংস ও ১৭ রানে হেরেছিল। তবে এখনকার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। শ্রীলঙ্কার এ ‘ধীরে চলো নীতি’ মূলত সিরিজ জয়ের জন্যই।
প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ফিফটি ফসকে গেল গত ম্যাচে শতক হাঁকানো মাহেলা জয়াবর্ধনের। ১২৭ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পরও লঙ্কানদের ড্রয়ের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছেন ফর্মের তুঙ্গে থাকা অধিনায়ক ম্যাথুস। অপরাজিত রয়েছেন ১৪ রানে। সঙ্গে রয়েছেন প্রসন্ন জয়াবর্ধনে (৬)। দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা এগিয়ে রয়েছে ২২০ রানে। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ মোহাম্মদ তালহা ও আবদুর রেহমান নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।

এর আগে চতুর্থ দিনে পাকিস্তান মাত্র ৫০ রান যোগ করতেই খুইয়েছে অবশিষ্ট ৪ উইকেট। ৩৪১-এ থেমেছে প্রথম ইনিংস। অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হকের ব্যাট এদিনও কথা বলেছে। ছুঁয়েছেন ২৪তম টেস্ট ফিফটি। রঙ্গনা হেরাথের শিকার হওয়ার আগে করেছেন ৬৩। হেরাথ একাই পেয়েছেন ৫ উইকেট।

No comments:

Post a Comment